টেস্ট
র্যাংকিংয়ের একনম্বর দলের সঙ্গে নয় নম্বর দলের লড়াই। আগামীকাল হায়দরাবাদে
শুরু হতে যাওয়া ভারত-বাংলাদেশ টেস্টে পরিষ্কার ফেভারিট স্বাগতিকরা। ভারতের
মাটিতে নিজেদের প্রথম টেস্টে কার্যত হারানোর কিছু নেই বাংলাদেশের। কিন্তু
পাওয়ার আছে অনেক কিছুই। সেই প্রাপ্তির সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেয়ার
টোটকাটা জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ।
তামিম, সাকিবদের
প্রতি তার পরামর্শ, র্যাংকিংয়ের দিকে না তাকিয়ে খোলামনে দলীয় শক্তি দিয়ে
ভারতের বিপক্ষে লড়তে হবে। প্রতিপক্ষের দুই মারণাস্ত্র বিরাট কোহলি ও
রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে নিয়ে আলাদাভাবে মাথা ঘামাতে নিষেধ করেছেন ওয়ালশ!
ক্যারিবীয় কিংবদন্তির অভিমত, কোহলি ও অশ্বিনকে নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু
নেই। প্রতিপক্ষের নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে নিয়ে অতিভাবনা অনেক সময় বাড়তি
চাপ হয়ে দাঁড়ায়। মনের বাঘের হাতেই তখন প্রাণ যায়। কোহলিদের নিয়ে না ভেবে
তাই দলীয় শক্তি দিয়ে ভারতের মোকাবেলা করার পরামর্শ দিলেন ওয়ালশ,
‘নিঃসন্দেহে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার বিরাট কোহলি। ভারতীয় দলে তার
মতো আরও কয়েকজন বিশ্বমানের ক্রিকেটার আছে। কিন্তু তাদের নিয়ে আলাদাভাবে
চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। নামের দিকে না তাকিয়ে একটি দলের বিপক্ষে দলীয়
শক্তি দিয়েই লড়াই করতে হবে আমাদের। আমরা যদি পাঁচদিন ভালো ক্রিকেট খেলতে
পারি, তাহলেই টেস্ট জমে উঠবে। পাঁচদিন ভালো খেলাটা আমাদের দলের জন্য
সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে,
কিন্তু আমরা তার জন্য মুখিয়ে আছি।’
র্যাংকিংয়ে দু’দলের বিশাল ব্যবধান নিয়েও চিন্তিত নন ওয়ালশ। ভারত ফেভারিট
হওয়ায় বরং বাড়তি সুবিধা দেখছেন বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ, ‘আমাদের হারানোর
কিছু নেই। কিন্তু এই টেস্টে ভালো করলে পাওয়ার আছে অনেক কিছুই। সব কিছুর
জন্যই আমরা লড়ব। নিউজিল্যান্ড সফরের অভিজ্ঞতা আমাদের তরুণ ক্রিকেটারদের
ভালো করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। সবচেয়ে কঠিন কন্ডিশনেই খেলে
এসেছি আমরা। সেই তুলনায় ভারতের কন্ডিশন তো বাংলাদেশের মতোই। তবে টেস্টের
উইকেট তারা কেমন বানাবে তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।’ নিউজিল্যান্ডে পেস
সহায়ক উইকেট পেয়েছিল বাংলাদেশ। ভারতের স্পিন-স্বর্গে পেসারদের কাজটা কঠিনই
হবে। সেটা মেনে নিচ্ছেন ওয়ালশও, ‘তরুণ পেসারদের জন্য কাজটা খুবই কঠিন। তবে
নিউজিল্যান্ড সফরের অভিজ্ঞতা এখানেও ওদের সাহায্য করবে। বাংলাদেশের
পেসারদের নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। তাদের পরিশ্রম করার মনসিকতা আছে। সমস্যা হল
অনভিজ্ঞতা। ওরা খুব বেশি টেস্ট খেলেনি। যত বেশি খেলবে, ততই শিখবে।’
ওয়েবসাইট।

No comments:
Post a Comment