
ছাতকে সুন্নী ও কওমী সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। শহরে বিরাজ করছে থমথমে অবস্থা। অন্যান্য দিনের তুলনায় শহরে লোক সমাগম ছিল খুবই কম। শহরের মাছ বাজার ছিল ক্রেতা-বিক্রেতা শূন্য। সংঘর্ষের একটি পক্ষের সিংহভাগ লোক মৎস্য সমপ্রদায়ের হওয়াতে মাছ বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সুন্নী ও কওমীদের সংঘর্ষের ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত থানায় কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেননি। তবে উভয় পক্ষই মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে। নিহত রুবেল মিয়ার ভাই আহমদ আলী জানান, রুবেল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এদিকে আবদুল বাছিত বাবুল হত্যাকাণ্ডে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে জানিয়েছেন তার স্বজনরা। ছাতক থানার অফিসার্স ইনচার্জ আশেক সুজা মামুন জানান, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিতভাবে থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তা মামলা আকারে নেয়া হবে। সংঘর্ষে বেশ ক’জন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হওয়ার ঘটনায় এসল্ট মামলা প্রসঙ্গে ওসি জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। রোববার ছাতকের জাউয়াবাজারে সুন্নী সমর্থকদের একটি ব্যানার নামানো ও ছাতকে কওমী সমর্থকদের ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার ছাতকে দুপুর থেকে কওমী ও সুন্নী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ২ জন নিহত ও ঘটে। তিন ঘণ্টাব্যাপী দফায়-দফায় সংঘর্ষ শেষ পর্যন্ত রণক্ষেত্রে পরিনত হলে থানা পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। জেলা পুলিশ, পথচারী, শিক্ষার্থীসহ দু’পক্ষের দেড় শতাধিক লোক আহত হয়। ট্রাক-সিএনজিসহ ৭-৮টি গাড়ি ভাঙচুর, দোকান-পাট ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
>>>মানবজমিন
No comments:
Post a Comment