শিশুরা
অনেক সময় বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যে বলে। এটা তারা না বুঝেই করে থাকে। অনেক সময়
শিশুরা স্কুলে পড়া না পারলে বা টিফিন না খেলে বাবা-মা বকাঝকা করবে এই ভয়ে
মিথ্যের আশ্রয় নেয়। তবে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে এই সাধারণ মিথ্যা যেন তাদের
অভ্যাসে পরিণত না হয়। তার আগেই তাকে বুঝিয়ে শুধরে দিতে হবে। বকাঝকা করা
যাবে না। অন্যদিকে মিথ্যা বললে বাবা-মা মনক্ষুণ্ন হবেন সেটাও তাদের জানাতে
হবে। তবে মনে রাখতে হবে, বাবা-মা নিজেরা মিথ্যার আশ্রয় নিলে শিশুরাও মিথ্যা
বলা শিখে যাবে।
তাই আপনাদেরও বুঝতে হবে মূল্যবোধের ওপর পুরো সমাজের প্রভাব
থাকলেও বাবা-মা বা পরিবারের প্রভাবই সবচেয়ে বেশি। তাই পরিবারের সদস্যরা
একটু সচেতন হলেই আমরা শিশুকে ইতিবাচক মূল্যবোধসম্পন্ন সুনাগরিক হিসেবে গড়ে
তুলতে পারব। কারণ মূল্যবোধ একটি সমাজ বা দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতির অন্যতম
চালিকাশক্তি। তাই শৈশব থেকেই শিশুর মধ্যে এমন মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে হবে
যাতে ও কোনো ভুল করলে সেই ভুল থেকে শিখতে পারে। যদি ইতিবাচক মূল্যবোধগুলো
শিশুদের মধ্যে তৈরি হয়, তাহলে পরে তাদের নিন্দার ভাগীদার হতে হবে না। চলুন
তাহলে জেনে নেয়া যাক শিশুর মূল্যবোধ বুদ্ধিতে অভিভাবক হিসেবে আপনাদের কী কী
বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে;
* শিশুদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেন ও সত্য বলা শিখে ও মিথ্যে বলতে ভয় পায়।
* শিশুর মধ্যে মূল্যবোধ সৃষ্টি করা। ভবিষ্যতে যেন এ রকম ভুল সে আর না করে।
* তার জন্য একটা সুন্দর নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
* সরল স্বীকারোক্তি দেয়ার পর শাস্তি না দিয়ে ওকে শুধরে নেয়ার সুযোগ দিতে হবে।
* ওর কিছু কাজ খারাপ কাজকে মোটেই প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। আর মিথ্যা বলাও গ্রহণ করা যাবে না এটা শিশুকে বোঝাতে হবে। তার এই মিথ্যা বলায় সে কী কী অসুবিধায় পড়তে পারে তা জানাতে হবে।
* অনেক সময় শিশুরা বড়দের এটেনশন পাবে বলে বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলে। ওরা নিজের মতো করে বানিয়ে গল্প বলে। তখন বকাবকি না করে কল্পনা শক্তিকে ঠিকমতো পরিচালনা করতে সাহায্য করুন।
* অবসর সময়ে শিক্ষামূলক গল্পের মাধ্যমে শেখানো যেতে পারে। যেমন- মিথ্যাবাদী রাখালের গল্প এবং ঈশপের গল্প। এই ধরনের গল্প থেকে সত্য বলতে উৎসাহী হবে শিশু।
* সর্বোপরি শিশুর সঙ্গে নিরাপদ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা। ওর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
* শিশুকে দোষী সাব্যস্ত না করে ওকে বুঝিয়ে ওর চাহিদাগুলো মেটানোর চেষ্টা করা উচিত। এছাড়া অবশ্যই বাবা-মাকে নিজেদের ব্যবহারে পরিবর্তন আনতে হবে। শিশুর সামনে মিথ্যা কথা একদম বলবেন না।
* শিশুদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেন ও সত্য বলা শিখে ও মিথ্যে বলতে ভয় পায়।
* শিশুর মধ্যে মূল্যবোধ সৃষ্টি করা। ভবিষ্যতে যেন এ রকম ভুল সে আর না করে।
* তার জন্য একটা সুন্দর নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
* সরল স্বীকারোক্তি দেয়ার পর শাস্তি না দিয়ে ওকে শুধরে নেয়ার সুযোগ দিতে হবে।
* ওর কিছু কাজ খারাপ কাজকে মোটেই প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। আর মিথ্যা বলাও গ্রহণ করা যাবে না এটা শিশুকে বোঝাতে হবে। তার এই মিথ্যা বলায় সে কী কী অসুবিধায় পড়তে পারে তা জানাতে হবে।
* অনেক সময় শিশুরা বড়দের এটেনশন পাবে বলে বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলে। ওরা নিজের মতো করে বানিয়ে গল্প বলে। তখন বকাবকি না করে কল্পনা শক্তিকে ঠিকমতো পরিচালনা করতে সাহায্য করুন।
* অবসর সময়ে শিক্ষামূলক গল্পের মাধ্যমে শেখানো যেতে পারে। যেমন- মিথ্যাবাদী রাখালের গল্প এবং ঈশপের গল্প। এই ধরনের গল্প থেকে সত্য বলতে উৎসাহী হবে শিশু।
* সর্বোপরি শিশুর সঙ্গে নিরাপদ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করা। ওর জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
* শিশুকে দোষী সাব্যস্ত না করে ওকে বুঝিয়ে ওর চাহিদাগুলো মেটানোর চেষ্টা করা উচিত। এছাড়া অবশ্যই বাবা-মাকে নিজেদের ব্যবহারে পরিবর্তন আনতে হবে। শিশুর সামনে মিথ্যা কথা একদম বলবেন না।

No comments:
Post a Comment