চুয়াডাঙ্গা
জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের একটি
বাড়ির সেফ্টি ট্যাংকি থেকে ৩ বছর বয়সি এক কন্যা শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে
পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার করেন। আগের দিন বিকাল
থেকে শিশু কন্যাটি নিখোঁজ হয়েছিল। এ ব্যাপারে পুলিশ নিহত মুক্তার বাবা
মিষ্টার আলী ও প্রতিবেশী চাচা নাসির উদ্দীনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করেছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সুত্রে জানা যায় দামুড়হুদার দর্শনা পৌর-সভার
ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের ভ্যান চালক মিস্টার আলির একমাত্র শিশু কন্যা মুক্তা
খাতুন বুধবার বাড়ির পাশে খেলা করার সময় নিখাঁজ হয়। বিভিন্ন স্হানে খুজে না
পেয়ে সন্ধায় শহর এলাকায় মাইকিং করা হয়।
অবশেষে পরদিন সকাল ১১ টায় পাশের
বাড়ির একটি সেফ্টি ট্যাংকির ঢাকনা আংশিক খোলা দেখে সকলের সন্দেহ হয়। ঢাকনা
তুলেই শিশুটির লাশ দেখে পুলিশের খবর দেয়া হয়। পরে পুলিশ এসে শিশুটির লাস
উদ্ধার করে। দামুড়হুদা থানার ওসি আবু জিহাদ মোঃ ফকরুল আলম খান জানান,
মুক্তাকে হত্যা করে সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা
করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সন্দেহভাজন হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুক্তার বাবা ও
প্রতিবেশী চাচা নাসিরকে আটক করা হয়েছে। নিহত মুক্তার গলায় ও হাতে আঘাতের
চিহ্ণ রয়েছে। ময়নাতদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

No comments:
Post a Comment