
রাজধানীর
উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ কোটায় ভর্তিকৃত
৫৭ শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে হাইকোর্টের
আদেশের বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার
আদেশের দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। সোমবার দায়িত্বরত প্রধান বিচারপতি মো.
আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগ আদেশের এই দিন
ঠিক করেন। একই সঙ্গে রিট আবেদনকারীকে পে অর্ডারের স্লিপও দাখিল করতে বলা
হয়েছে। আদালতে উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন
আইনজীবী শেখ ফজলে নূর তাপস। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মেহেদী হাসান
চৌধুরী। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এএম আমিনউদ্দিন।
সঙ্গে
ছিলেন রেজিনা মাহমুদ। এর আগে ৯ জানুয়ারি ভর্তিবঞ্চিত এক শিক্ষার্থীর
অভিভাবকের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ রুল দিয়ে এক
মাসের জন্য ৫৭ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেন।
এই আদেশ স্থগিত চেয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ আবেদন করেন। রোববার এটি চেম্বার
বিচারপতির আদালতে ওঠে। সেদিন চেম্বার বিচারপতি আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত
বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন। রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজে গত
১৪ ডিসেম্বর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে মেধা স্কোর অনুযায়ী ছাত্র ভর্তি না করে
‘আগে এলে আগে ভর্তির সুযোগ’ ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ১৭
ডিসেম্বর বেলা ১১টার মধ্যে ‘আগে এলে আগে ভর্তির সুযোগ’ পাবেন বলে
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। ওই দিন বেলা ১১টার পর তারিকুল ইসলাম নামে এক
শিক্ষার্থী যার মেধা স্কোর ২৫৭, সে কলেজে গিয়ে জানতে পারে এরই মধ্যে ৫৭
শিক্ষার্থীর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। ভর্তির সর্বনিম্ন স্কোর ছিল
২৫০.৪৫। তারিকুলের দাবি, মেধা স্কোর অনুযায়ী ভর্তি করলে সে ভর্তির সুযোগ
পেত। পরে গত ২ জানুয়ারি তারিকুলের বাবা নজরুল ইসলাম আধুনিক মেডিকেল কলেজের
২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পদ্ধতি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।
No comments:
Post a Comment