
নওগাঁর
মান্দা উপজেলার সদর প্রসাদপুর বাজারের চৌরাস্তা মোড় বর্তমান গোলচত্বরে
পাকিস্থানি সেনাদের আদলে নির্মিত ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার দাবী ক্রমশ জোরালো
হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আগে কেউ গুরুত্ব দিলেও না ভাবলেও মান্দা উপজেলার
সুলতান মাহমুদ রায়হান নামে একজন আওয়ামীলীগ ভক্ত ফেসবুক স্ট্র্যাটাসে এটি
নিয়ে এক মন্তব্য করে বসেন।
সেই মন্তব্য চোখে পড়ে মান্দা উপজেলার সাবেক
চেয়ারম্যান ডা. ইকরামুল বারী টিপুর। ডা. টিপু তার মন্তব্যে লেখেন , সব
ভার্স্কয্যের একটি নাম থাকে। কিন্তু এ ভার্স্কয্যের কোন নাম চোখে পড়েনি।
পরে সেই স্ট্র্যাটাসে মান্দা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র এডমিন সাধারণ সম্পাদক
সাংবাদিক হারুন আল রশীদ হীরার নজরে আসে। তিনি ভার্স্কযটি ভেঙ্গে ফেলা হোক
বলে দাবী করে বসেন। তাছাড়া রায়হানের ফেসবুক স্ট্র্যাটাসটির আরো অনেকের
মন্তব্য বাড়তে বাড়তে এক মূর্হুতের তা ভাইরাল হয়ে যায়। এ নিয়ে এলাকাবাসীদের
মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বর্তমানে নির্র্মিত ভাস্কর্য ঘিরে
সমালোচনা-পাল্টা সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া স্বাধীনতার মাসেই এ ধরনের
ভাস্কর্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা। এনিয়ে
ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করেন, গোল চত্বরে ভাষ্কর্যই
হোক বা কোন মূর্তিই হোক, সেটা না করে বাংলাদেশের অনেক স্থানের মতো শাপলা
চত্বর,আম চত্বর, দোয়েল চত্বর বা অন্য কিছু নির্মাণ করে এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি
করা যেতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড়
বইছে তা নয়, দ্রুত ভাস্কর্যটি অপসারণ করে সেই স্থানে কৃষক. শ্রমিক
মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি সংবলিত ভাস্কর্যটি নতুন করে স্থাপনের দাবি
জানিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগ সমর্থক অনেক নেতা-কর্মীরা।
No comments:
Post a Comment